নিজস্ব প্রতিবেদক : সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের ২০২৫ সালের হজ চুক্তি সই হয়েছে। সৌদি আরবের জেদ্দায় রোববার (১২ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় এই চুক্তি হয়। ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন এবং সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী তৌফিক বিন ফাওজান আল রাবিয়াহ হজ চুক্তিতে সই করেন। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এবার বাংলাদেশ থেকে ৮৭ হাজার ১০০ জন হজ করবেন। এরমধ্যে ৮১ হাজার ৯০০ জন বেসরকারিভাবে এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে এবং বাকি ৫ হাজার ২০০ জন সরকারিভাবে হজ পালন করবেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ধর্ম উপদেষ্টা বাংলাদেশের সার্বিক হজ ব্যবস্থাপনার অগ্রগতি নিয়ে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন। এসময় ধর্ম উপদেষ্টা বাংলাদেশি হজ এজেন্সিপ্রতি সর্বনিম্ন হজযাত্রীর কোটা এক হাজার থেকে কমানোর বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রীকে অনুরোধ করেন। কিন্তু সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী এজেন্সিপ্রতি সর্বনিম্ন হজযাত্রীর কোটা এক হাজারই বহাল রেখেছেন। আমাদের ফেইসবুক পেইজে ফলো দিয়ে পাশে থাকুন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ধর্ম সচিব এ কে এম আফতাব হোসেন প্রামানিক, হ...
নিজস্ব প্রতিবেদক : ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) জন্য ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল এবং ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক এই প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার প্রস্তাব দেওয়া হলে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি তাতে অনুমোদন দিয়েছে। এই তেলের ক্রয় মূল্য ধরা হয়েছে ১৮৯ কোটি ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটারের মূল্য ধরা হয়েছে ১৭১ টাকা ৯৫ পয়সা। সুপার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড থেকে এই সয়াবিন তেল কেনা হবে। ক্রয় সম্পন্ন করার পর টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের কাছে ভর্তুকি মূল্যে এই সয়াবিন তেল বিক্রি করা হবে। এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অপর এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১০ হাজার টন মসুর ডাল ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পর...
নিজস্ব প্রতিবেদক সদ্য বিদায়ী ২০২৪ সালের শেষ মাস অর্থাৎ ডিসেম্বরে দেশে ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২৬৩ কোটি ৯০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম ৬ অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৩৫ কোটি ৯০ লাখ ডলারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। তথ্য অনুযায়ী, বিপিএম ৬ অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৩৫ কোটি ৯০ লাখ ডলারে উঠেছে। অপরদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬২০ কোটি ৪০ লাখ ডলারে। এর আগে ২০২০ সালের জুলাই মাসে সর্বোচ্চ পরিমাণ প্রবাসী আয় দেশে এসেছিল। করোনা মহামারির মধ্যে ওই মাসে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২৫৯ কোটি ডলার। গত কয়েক মাসে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ও বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ের কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। এরপর আগস্টে গঠন করা হয় নতুন সরকার। নতুন সরকার গঠনের পর প্রতি মাসেই ২০০ কোটি ডলারের বেশি প্রবাসী আয় এসেছে। তবে ডিসেম্বরে আসা ২৬৩ কোটি ৯০...
Comments
Post a Comment